সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে খুন, ফাইল ছবি ভয়েস প্রতিবেদক:
উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ‘আধিপত্য বিস্তারের’ জেরে পৃথক ঘটনায় প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে দুইজন নিহত হয়েছে।
উখিয়া থানার ওসি মো. শামীম হোসেন জানান, সোমবার ভোর রাতে উখিয়া উপজেলার কুতুপালং লাল পাহাড় ৪-এক্সটেনশন নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং জামতলী ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এই ঘটনা ঘটেছে।
এর মধ্যে কুতুপালং লাল পাহাড়ে নিহত হয়েছেন ৪ নম্বর এক্সটেনশন ক্যাম্পের সি-১ ব্লকের রশিদ আহমেদের ছেলে কবির আহমেদ (২৭) এবং জমতালী ১৫ নম্বর ক্যাম্পে নিহত হয়েছেন মৃত হাবিবের ছেলে নুর বশর (৫৪)।
উখিয়া থানা পুলিশের ওসি শামীম হোসেন জানিয়েছেন, সোমবার ভোর রাতে উখিয়ার জামতলী ১৫ নম্বর ক্যাম্পের নিজ ঘর থেকে নুর বশরকে ৩০/৪০ জন অস্ত্রধারীরা তুলে নিয়ে রাস্তার উপর এনে গুলি করে। যার একটি গুলি বুকের বাম পাশে এবং অপর গুলি বাম পাশের কোমরে লেগে ঘটনাস্থলে মারা যান বশর।
অপরদিকে সোমবার ভোরে উখিয়ার কুতুপালং লাল পাহাড় ৪-এক্সটেনশন নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-২ ব্লকের কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ৮/১০ জন সন্ত্রাসী বাহির থেকে প্রবেশ করে। পরে তারা ক্যাম্পটির স্থানীয় একটি মসজিদে নামাজ আদায় করতে যাওয়া কবির আহমদকে তুলে নিয়ে যায়। তাকে ক্যাম্পের সীমানা কাঁটাতারের বাইরে এনে গুলি ও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে তিনি মারা যান।
ওসি জানান, খবর পেয়ে পুলিশের পৃথক দুইটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃত অবস্থায় দুইজনের লাশ উদ্ধার করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরীর পর নিহতদের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
ওসি জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে দুইটি সন্ত্রাসীর গোষ্ঠি আরসা ও আরএসও এর মধ্যে বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বিবাদমান দুই সন্ত্রাসী গোষ্ঠির মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ ধারণা করছে।
ভয়েস/জেইউ।